Sanchita : Kaji Najrul Islam Part 3

For any orator it’s always a dream to recite “Bidrohi(The Rebel)” by Kaji Najrul Islam, especially if the orator is a male, to recite it properly is not an easy task.

 

 

Unfortunately I did not get chance to recite it…”Chance” means, this poem sounds good when recited by any matured voice, the gravity of voice plays a vital role here , when I used to recite I was a teenager so naturally this poem never have been placed for my age group.

 

 

Those who are well acquainted with the writings of Kaji Najrul Islam the first and foremost name will knock into their mind (I guess so from real life experiences) if the topic of Najrul’s writing is discussed, is “Bidrohi”.

 

If you get chance to listen to this poem recited by any talented/famous orator I can make you sure that you will feel Goosebumps throughout.

 

You will be surprised to know that some of the talented orators I have seen who has refused to recite this poem saying…”i don’t qualify to recite it”, “We are unable to recite it.”

 

Kaji Najrul Islam is known as “The rebel Poet” for his writings on social and political issues during India’s independence.

Here is the entire poem with translation…

 

 

 

বিদ্রোহী কাজী নজরুল ইসলাম

বল বীর –
বল উন্নত মম শির!
শির নেহারি’ আমারি নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির!
বল বীর –
বল মহাবিশ্বের মহাকাশ ফাড়ি’
চন্দ্র সূর্য গ্রহ তারা ছাড়ি’
ভূলোক দ্যুলোক গোলক ভেদিয়া
খোদার আসন ‘আরশ’ ছেদিয়া,
উঠিয়াছি চির-বিস্ময় আমি বিশ্ববিধাতৃর!
মম ললাটে রুদ্র ভগবান জ্বলে রাজ-রাজটীকা দীপ্ত জয়শ্রীর!
বল বীর –
আমি চির উন্নত শির!

আমি চিরদূর্দম, দুর্বিনীত, নৃশংস,
মহা- প্রলয়ের আমি নটরাজ, আমি সাইক্লোন, আমি ধ্বংস!
আমি মহাভয়, আমি অভিশাপ পৃথ্বীর,
আমি দুর্বার,
আমি ভেঙে করি সব চুরমার!
আমি অনিয়ম উচ্ছৃঙ্খল,
আমি দ’লে যাই যত বন্ধন, যত নিয়ম কানুন শৃঙ্খল!
আমি মানি না কো কোন আইন,
আমি ভরা-তরী করি ভরা-ডুবি, আমি টর্পেডো, আমি ভীম ভাসমান মাইন!
আমি ধূর্জটি, আমি এলোকেশে ঝড় অকাল-বৈশাখীর
আমি বিদ্রোহী, আমি বিদ্রোহী-সুত বিশ্ব-বিধাতৃর!
বল বীর –
চির-উন্নত মম শির!

আমি ঝন্ঝা, আমি ঘূর্ণি,
আমি পথ-সমূখে যাহা পাই যাই চূর্ণি’।
আমি নৃত্য-পাগল ছন্দ,
আমি আপনার তালে নেচে যাই, আমি মুক্ত জীবনানন্দ।
আমি হাম্বার, আমি ছায়ানট, আমি হিন্দোল,
আমি চল-চঞ্চল, ঠমকি’ ছমকি’
পথে যেতে যেতে চকিতে চমকি’
ফিং দিয়া দিই তিন দোল;
আমি চপলা-চপল হিন্দোল।
আমি তাই করি ভাই যখন চাহে এ মন যা,
করি শত্রুর সাথে গলাগলি, ধরি মৃত্যুর সাথে পান্জা,
আমি উন্মাদ, আমি ঝন্ঝা!
আমি মহামারী আমি ভীতি এ ধরিত্রীর;
আমি শাসন-ত্রাসন, সংহার আমি উষ্ন চির-অধীর!
বল বীর –
আমি চির উন্নত শির!

আমি চির-দুরন্ত দুর্মদ,
আমি দুর্দম, মম প্রাণের পেয়ালা হর্দম হ্যায় হর্দম ভরপুর মদ।
আমি হোম-শিখা, আমি সাগ্নিক জমদগ্নি,
আমি যজ্ঞ, আমি পুরোহিত, আমি অগ্নি।
আমি সৃষ্টি, আমি ধ্বংস, আমি লোকালয়, আমি শ্মশান,
আমি অবসান, নিশাবসান।
আমি ইন্দ্রাণী-সুত হাতে চাঁদ ভালে সূর্য
মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর রণ-তূর্য;
আমি কৃষ্ন-কন্ঠ, মন্থন-বিষ পিয়া ব্যথা-বারিধীর।
আমি ব্যোমকেশ, ধরি বন্ধন-হারা ধারা গঙ্গোত্রীর।
বল বীর –
চির – উন্নত মম শির!

আমি সন্ন্যাসী, সুর-সৈনিক,
আমি যুবরাজ, মম রাজবেশ ম্লান গৈরিক।
আমি বেদুঈন, আমি চেঙ্গিস,
আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ!
আমি বজ্র, আমি ঈশান-বিষাণে ওঙ্কার,
আমি ইস্রাফিলের শিঙ্গার মহা হুঙ্কার,
আমি পিণাক-পাণির ডমরু ত্রিশূল, ধর্মরাজের দন্ড,
আমি চক্র ও মহা শঙ্খ, আমি প্রণব-নাদ প্রচন্ড!
আমি ক্ষ্যাপা দুর্বাসা, বিশ্বামিত্র-শিষ্য,
আমি দাবানল-দাহ, দাহন করিব বিশ্ব।
আমি প্রাণ খোলা হাসি উল্লাস, – আমি সৃষ্টি-বৈরী মহাত্রাস,
আমি মহা প্রলয়ের দ্বাদশ রবির রাহু গ্রাস!
আমি কভূ প্রশান্ত কভূ অশান্ত দারুণ স্বেচ্ছাচারী,
আমি অরুণ খুনের তরুণ, আমি বিধির দর্পহারী!
আমি প্রভোন্জনের উচ্ছ্বাস, আমি বারিধির মহা কল্লোল,
আমি উদ্জ্বল, আমি প্রোজ্জ্জ্বল,
আমি উচ্ছ্বল জল-ছল-ছল, চল-ঊর্মির হিন্দোল-দোল!

আমি বন্ধন-হারা কুমারীর বেণু, তন্বী-নয়নে বহ্ণি
আমি ষোড়শীর হৃদি-সরসিজ প্রেম উদ্দাম, আমি ধন্যি!
আমি উন্মন মন উদাসীর,
আমি বিধবার বুকে ক্রন্দন-শ্বাস, হা হুতাশ আমি হুতাশীর।
আমি বন্চিত ব্যথা পথবাসী চির গৃহহারা যত পথিকের,
আমি অবমানিতের মরম বেদনা, বিষ – জ্বালা, প্রিয় লান্চিত বুকে গতি ফের
আমি অভিমানী চির ক্ষুব্ধ হিয়ার কাতরতা, ব্যথা সুনিবিড়
চিত চুম্বন-চোর কম্পন আমি থর-থর-থর প্রথম প্রকাশ কুমারীর!
আমি গোপন-প্রিয়ার চকিত চাহনি, ছল-ক’রে দেখা অনুখন,
আমি চপল মেয়ের ভালোবাসা, তা’র কাঁকন-চুড়ির কন-কন!
আমি চির-শিশু, চির-কিশোর,
আমি যৌবন-ভীতু পল্লীবালার আঁচড় কাঁচলি নিচোর!
আমি উত্তর-বায়ু মলয়-অনিল উদাস পূরবী হাওয়া,
আমি পথিক-কবির গভীর রাগিণী, বেণু-বীণে গান গাওয়া।
আমি আকুল নিদাঘ-তিয়াসা, আমি রৌদ্র-রুদ্র রবি
আমি মরু-নির্ঝর ঝর ঝর, আমি শ্যামলিমা ছায়া-ছবি!
আমি তুরীয়ানন্দে ছুটে চলি, এ কি উন্মাদ আমি উন্মাদ!
আমি সহসা আমারে চিনেছি, আমার খুলিয়া গিয়াছে সব বাঁধ!

আমি উথ্থান, আমি পতন, আমি অচেতন-চিতে চেতন,
আমি বিশ্ব-তোরণে বৈজয়ন্তী, মানব-বিজয়-কেতন।
ছুটি ঝড়ের মতন করতালি দিয়া
স্বর্গ মর্ত্য-করতলে,
তাজী বোররাক আর উচ্চৈঃশ্রবা বাহন আমার
হিম্মত-হ্রেষা হেঁকে চলে!

আমি বসুধা-বক্ষে আগ্নিয়াদ্রি, বাড়ব-বহ্ণি, কালানল,
আমি পাতালে মাতাল অগ্নি-পাথার-কলরোল-কল-কোলাহল!
আমি তড়িতে চড়িয়া উড়ে চলি জোর তুড়ি দিয়া দিয়া লম্ফ,
আমি ত্রাস সন্চারি ভুবনে সহসা সন্চারি’ ভূমিকম্প।
ধরি বাসুকির ফণা জাপটি’ –
ধরি স্বর্গীয় দূত জিব্রাইলের আগুনের পাখা সাপটি’।
আমি দেব শিশু, আমি চঞ্চল,
আমি ধৃষ্ট, আমি দাঁত দিয়া ছিঁড়ি বিশ্ব মায়ের অন্চল!
আমি অর্ফিয়াসের বাঁশরী,
মহা- সিন্ধু উতলা ঘুমঘুম
ঘুম চুমু দিয়ে করি নিখিল বিশ্বে নিঝঝুম
মম বাঁশরীর তানে পাশরি’
আমি শ্যামের হাতের বাঁশরী।
আমি রুষে উঠি’ যবে ছুটি মহাকাশ ছাপিয়া,
ভয়ে সপ্ত নরক হাবিয়া দোজখ নিভে নিভে যায় কাঁপিয়া!
আমি বিদ্রোহ-বাহী নিখিল অখিল ব্যাপিয়া!

আমি শ্রাবণ-প্লাবন-বন্যা,
কভু ধরনীরে করি বরণীয়া, কভু বিপুল ধ্বংস-ধন্যা-
আমি ছিনিয়া আনিব বিষ্ণু-বক্ষ হইতে যুগল কন্যা!
আমি অন্যায়, আমি উল্কা, আমি শনি,
আমি ধূমকেতু-জ্বালা, বিষধর কাল-ফণী!
আমি ছিন্নমস্তা চন্ডী, আমি রণদা সর্বনাশী,
আমি জাহান্নামের আগুনে বসিয়া হাসি পুষ্পের হাসি!

আমি মৃন্ময়, আমি চিন্ময়,
আমি অজর অমর অক্ষয়, আমি অব্যয়।
আমি মানব দানব দেবতার ভয়,
বিশ্বের আমি চির-দুর্জয়,
জগদীশ্বর-ঈশ্বর আমি পুরুষোত্তম সত্য,
আমি তাথিয়া তাথিয়া মাথিয়া ফিরি স্বর্গ-পাতাল মর্ত্য!
আমি উন্মাদ, আমি উন্মাদ!!
আমি চিনেছি আমারে, আজিকে আমার খুলিয়া গিয়াছে সব বাঁধ!!

আমি পরশুরামের কঠোর কুঠার
নিঃক্ষত্রিয় করিব বিশ্ব, আনিব শান্তি শান্ত উদার!
আমি হল বলরাম-স্কন্ধে
আমি উপাড়ি’ ফেলিব অধীন বিশ্ব অবহেলে নব সৃষ্টির মহানন্দে।
মহা-বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত
আমি সেই দিন হব শান্ত,
যবে উত্পীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না –
অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না –
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত
আমি সেই দিন হব শান্ত।

আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দিই পদ-চিহ্ন,
আমি স্রষ্টা-সূদন, শোক-তাপ হানা খেয়ালী বিধির বক্ষ করিব ভিন্ন!
আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দেবো পদ-চিহ্ন!
আমি খেয়ালী-বিধির বক্ষ করিব ভিন্ন!

আমি চির-বিদ্রোহী বীর –
বিশ্ব ছাড়ায়ে উঠিয়াছি একা চির-উন্নত শির!

– কাজী নজরুল ইসলাম

This translation i have found in the website of International center of Najrul, Here is the link…https://www.icnazrul.com/

Poem:

The Rebel

(Bidrohi)

Original: Kazi Nazrul Islam

Translation: Sajed Kamal

Proclaim, Hero,
proclaim: I raise my head high!
Before me bows down the Himalayan peaks!

Proclaim, Hero,
proclaim: rending through the sky,
surpassing the moon, the sun,
the planets, the stars,
piercing through the earth,
the heavens, the cosmos
and the Almighty’s throne,
have I risen, the eternal wonder
of the Creator of the universe.
The furious Shiva shines on my forehead
like a royal medallion of victory!

Proclaim, Hero,
proclaim: My head is ever held high!

I’m ever indomitable, arrogant and cruel,
I’m the Dance-king of the Day of the Doom,
I’m the cyclone, the destruction!
I’m the great terror, I’m the curse of the world.
I’m unstoppable,
I smash everything into pieces!
I’m unruly and lawless.
I crush under my feet
all the bonds, rules and disciplines!
I don’t obey any laws.
I sink cargo-laden boats I’m the torpedo,
I’m the dreadful floating mine.
I’m the destructive Dhurjati,
the sudden tempest of the summer.
I’m the Rebel, the Rebel son
of the Creator of the universe!

Proclaim, Hero,
proclaim: My head is ever held high!

I’m the tempest, I’m the cyclone,
I destroy everything I find in my path.
I’m the dance-loving rhythm,
I dance to my own beats.
I’m the delight of a life of freedom.
I’m Hambeer, Chhayanat, Hindol.
I move like a flash of lightning
with turns and twists.
I swing, I leap and frolic!
I do whatever my heart desires.
I embrace my enemy and wrestle with death.
I’m untamed, I’m the tempest!
I’m pestilence, dread to the earth,
I’m the terminator of all reigns of terror,
I’m ever full of burning restlessness.

Proclaim, Hero,
proclaim: My head is ever held high!

I’m ever uncontrollable, irrepressible.
My cup of elixir is always full.
I’m the sacrificial fire,
I’m Yamadagni, the keeper
of the sacrificial fire.
I’m the sacrifice, I’m the priest,
I’m the fire itself.
I’m creation, I’m destruction,
I’m habitation, I’m the cremation ground.
I’m the end, the end of night.
I’m the son of Indrani,
with the moon in my hand and the sun on my forehead.
In one hand I hold the bamboo flute,
in the other, a trumpet of war.
I’m Shiva’s blued-hued throat
from drinking poison from the ocean of pain.
I’m Byomkesh, the Ganges flows freely
through my matted locks.

Proclaim, Hero,
proclaim: My head is ever held high!

I’m the ascetic, the minstrel,
I’m the prince, my royal garb embarasses
even the most ostentatious.
I’m Bedouin, I’m Chenghis,
I salute none but myself!
I’m thunder,
I’m the OM sound of Ishan’s horn.
I’m the mighty call of Israfil’s trumpet.
I’m Pinakapani’s hourglass drum, trident,
the sceptre of the Lord of Justice.
I’m the Chakra and the Great Conch,
I’m the primordial sound of the Gong!
I’m the furious Durbasa, the disciple
of Vishwamitra.
I’m the fury of fire, to burn this earth to ashes.
I’m the ecstatic laughter, terrifying the creation.
I’m the eclipse of the twelve suns
on the Day of the Doom.
Sometimes calm, sometimes wild,
I’m the youth of new blood
I humble even the fate’s pride!
I’m the violent gust of a wind storm,
the roar of the ocean.
I’m bright, effulgent.
I’m the murmur of over-flowing water,
Hindol dance of rolling waves!

I’m the unbridled hair of a maiden,
the fire in her eyes.
I’m the budding romance of a girl of sixteen
I’m the state of bliss!
I’m the madness of the recluse,
I’m the sigh of grief of a widow,
I’m the anguish of the dejected,
I’m the suffering of the homeless,
I’m the pain of the humiliated,
I’m the afflicted heart of the lovesick.
I’m the trembling passion of the first kiss,
the fleeting glance of the secret lover.
I’m the love of a restless girl,
the jingling music of her bangles!
I’m the eternal child, the eternal adolescent,
I’m the bashfulness of a village girl’s budding youth.
I’m the northern breeze, the southern breeze,
the callous eastwind.
I’m the minstrel’s song,
the music of his flute and lyre.
I’m the unquenched summer thirst,
the scorching rays of the sun.
I’m the softly flowing desert spring
and the green oasis!

In ecstatic joy, in madness,
I’ve suddenly realized myself
all the barriers have crumbled away!
I’m the rise, I’m the fall,
I’m the consciousness in the unconscious mind.
I’m the flag of triumph at the gate
of the universe
the triumph of humanity!

Like a tempest
I traverse the heaven and earth
riding Uchchaishraba and the mighty Borrak.
I’m the burning volcano in the bosom of the earth,
the wildest commotion of the subterranean ocean of fire.
I ride on lightning
and panic the world with earthquakes!
I clasp the hood of the Snake-king
and the fiery wing of the angel Gabriel.
I’m the child-divine restless and defiant.
With my teeth I tear apart
the skirt of Mother Earth!

I’m Orpheus’ flute.
I calm the restless ocean
and bring lethean sleep to the fevered world
with a kiss of my melody.
I’m the flute in the hands of Shyam.
When I fly into a rage and traverse the vast sky,
the fires of Seven Hells and the hell of hells, Habia,
tremble in fear and die.
I’m the messenger of revolt
across the earth and the sky.

I’m the mighty flood.
Sometimes I bring blessings to the earth,
at other times, cause colossal damage.
I wrestle away the maidens two
from Vishnu’s bosom!
I’m injustice, I’m a meteor, I’m Saturn,
I’m a blazing comet, a venomous cobra!
I’m the headless Chandi,
I’m the warlord Ranada.
Sitting amidst the fire of hell
I smile like an innocent flower!
I’m made of clay, I’m the embodiment of the Soul.
I’m imperishable, inexhaustible, immortal.
I intimidate the humans, demons and gods.
I’m ever-unconquerable.
I’m the God of gods, the supreme humanity,
traversing the heaven and earth!

I’m mad, I’m mad!
I have realized myself,
all the barriers have crumbled away!!

I’m Parashuram’s merciless axe.
I’ll rid the world of all the war mongers*
and bring peace.
I’m the plough on Balaram’s shoulders.
I’ll uproot this subjugated world
in the joy of recreating it.
Weary of battles, I, the Great Rebel,
shall rest in peace only when
the anguished cry of the oppressed
shall no longer reverberate in the sky and the air,
and the tyrant’s bloody sword
will no longer rattle in battlefields.
Only then shall I, the Rebel,
rest in peace.

I’m the Rebel Bhrigu,
I’ll stamp my footprints on the chest of god
sleeping away indifferently, whimsically,
while the creation is suffering.
I’m the Rebel Bhrigu,
I’ll stamp my footprints
I’ll tear apart the chest of the whimsical god!

I’m the eternal Rebel,
I have risen beyond this world, alone,
with my head ever held high!

 

Sanchita: Kaji Najrul Islam Part 1
Sanchita:Kaji Najrul Islam Part 2

 

 

 

 

Sanchita:Kaji Najrul Islam Part 2

As I have mentioned in my earlier post Sanchita: Kaji Najrul Islam Part 1 that some people have tried to raise a comparison between Tagore and Najrul but the truth is Najrul has always respected Tagore as “Gurudev”, there was a good bonding between them and a strong relation.

The book Sanchita Najrul dedicated to Tagore; in the preface it was written “বিশ্বকবিসম্রাট শ্রীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শ্রীশ্রীচরণারবিন্দেষু”(Dedicated to Biswakobisamrat Sri Rabindranath Tagore)

 

Another Interesting fact I would like to share is…the birth place of Najrul Islam is hardly a 45 minutes of distance from my village, where some of my family members used to visit for their job purpose.

Now some of my fav lines from his poem titled “Manush”(Hindi:-Manushya. English: – Human Being)

 

 

মানুষেরে ঘৃণা করি,

ও’ কারা কোরান, বেদ, বাইবেল
চুম্বিছে মরি মরি,

ও’ মুখ হইতে কেতাব গ্রন্থ
নাও জোর ক’ রে কেড়ে

যাহারা আনিলো গ্রন্থ-কেতাব
সেই মানুষেরে মেরে।

পূজিছে গ্রন্থ ভন্ডের দল!
মূর্খরা সব শোনো,

মানুষ এনেছে গ্রন্থ;
গ্রন্থ আনেনি মানুষ কোনো।

Translation :—Who are those people busy to kiss the Quaran, Bible and Vedas by hating the human race? Snatch those holy books from those people; by killing those people who have brought these holy books, the fraud people are busy to worship these books, Stupid people, you should realize it deeply that it’s the human beings who have created  these books…these books have not created the human race.

ও কে ?  চণ্ডাল ?  চমকাও কেন ?  নহে ও ঘৃণ্য জীব !

ওই হতে পারে হরিশ্চন্দ্র  , ওই শ্মশানের শিব ।

আজ চণ্ডাল কাল হতে পারে মহাযোগী – সম্রাট ,

তুমি কাল তারে অর্ঘ্য দানিবে, করিবে নান্দী পাঠ ।

রাখাল বলিয়া কারে কর হেলা,   ও হেলা কাহারে বাজে !

হয়ত গোপনে ব্রজের গোপাল এসেছে রাখাল সাজে !

,                             চাষা বলে কর ঘৃণা !

দেখো চাষা রূপে লুকায়ে জনক বলরাম এলোকিনা ?

Translation :—Who is he? Chandal? Why are you surprised? He is not a man of hatred
He can be the King Harishchandra or Lord Shiva
Today he is a chandal but tomorrow he can be saint or a Great emperor,
Then you will worship him or will bow down to him .
Whom you are ignoring by considering as a cow boy,
May be Krishna has come in disguise of cow boy.
You hate him because he is a farmer!!!!!
Pleaes check may be Janak(King) Balaram has come in disguise.

 

Chandal…Low caste hindu who works in cemetery.

 

Follow

Get the latest posts delivered to your mailbox:

%d bloggers like this: